সকাল থেকেই কানপুরের আকাশ মেঘলা। কিন্তু বৃষ্টি নেই। স্বাভাবিকভাবেই কানপুর টেস্টের তৃতীয় দিন প্রথম সেশন না হোক, অন্তত দ্বিতীয় সেশন থেকে খেলা শুরু হবে বলে আশায় ছিল সবাই। প্রথম সেশন গড়িয়ে দ্বিতীয় সেশনও শেষের পথে। কিন্তু খেলোয়াড়, আম্পায়ারদের নামগন্ধ নেই। স্থানীয় সময় বেলা ২টায় (বাংলাদেশ সময় আড়াইটা) আম্পায়ারদের আরও একবার মাঠ প্রদর্শনে নামার কথা। দুই দলই হোটেলে বসে সেটির অপেক্ষা করছে।
কিন্তু এর মধ্যেই কানপুর প্রেস বক্সে ছড়িয়ে পড়ল অন্য খবর। কানপুর টেস্টে বিসিসিআইয়ের স্কোরার আগলেস ত্রিপাঠি আম্পায়ারদের পরবর্তী মাঠ প্রদর্শনের পরবর্তী সময় জানাতে গিয়ে ছোট্ট করে একটা তথ্য দিয়ে বললেন, ‘খেলা বন্ধ আছে আলোক স্বল্পতার কারণে।’ কথাটা শোনার পর উত্তর প্রদেশের ক্রিকেট নিয়মিত কাভার করা সাংবাদিকদের একটা দল হাসতে শুরু করলেন। সে হাসিতে যোগ দিলেন সেই স্কোরারও। যেন সবাই মিলে কোন এক ‘ওপেন সিক্রেট’ নিয়ে হাসাহাসি করলেন।ওদিকে বাংলাদেশ দলের খেলোয়াড়দের জানানো হয়েছে ভিন্ন কথা। তাদের বলা হয়েছে, ভেজা আউটফিল্ডের কারণে খেলা শুরু হতে দেরি। যদিও সকাল থেকে ভেজা আউটফিল্ড শুকানোর কোন চেষ্টা দেখা যায়নি মাঠকর্মীদের মধ্যে। ভারতীয় সাংবাদিকদের মধ্যে এ নিয়ে ফিসফাস চলছিল। কারণ, কানপুরের গ্রিন পার্ক স্টেডিয়াম নিয়ে এমনিতেই অনেক অভিযোগ আছে।
অব্যবস্থাপনার কারণে স্থানীয় সংবাদিকদের কড়া সমালোচনার মধ্যে থাকেন গ্রিন পার্কের কর্মকর্তারা। ভেজা আউটফিল্ডের কারণটা সে জন্যই নাকি সাংবাদিকদের জানানো হয়নি। বলা হয়েছে আলোক স্বল্পতার কথা। কিন্তু দুই জায়গায় দুই রকম তথ্য দিয়ে উল্টো আরও একবার যেন বিপদই ডেকে আনল উত্তর প্রদেশ ক্রিকেট।
.jpeg)
