দারুণ শুরুর পর তৃতীয় দিনের শেষটাও দারুণভাবে করতে চেয়েছিল ভারত। তবে শেষ বলে বিরাট কোহলির উইকেট হারিয়ে সেই চাওয়া পুরোপুরি পূরণ হয়নি তাদের। স্পিনার গ্লেন ফিলিপসের বলে ৭০ রানে দিনের শেষ বলে আউট হন কোহলি।
তাতে ভাঙে সরফরাজের সঙ্গে তাঁর ১৩৬ রানের জুটি। ৩৫৬ রানে পিছিয়ে থেকে দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাটিং করতে নামা ভারত তৃতীয় দিন শেষ করেছে ৩ উইকেটে ২৩১ রান নিয়ে। এখনো পিছিয়ে ১২৫ রানে।
বেঙ্গালুরু টেস্টের তৃতীয় দিনের শুরুটা ভারত করেছিল দুর্দান্ত। প্রথম ১৫ ওভারে বল হাতে তুলে নিয়েছে ৪ উইকেট। তবে মাঝের সময়টাতে চলেছে নিউজিল্যান্ডের ব্যাটসম্যানদের দাপট, আরও নির্দিষ্ট করে বললে রাচিন রবীন্দ্র ও টিম সাউদির।
প্রথম ইনিংসে শূন্য রানে আউট হওয়া এই দুই ব্যাটসম্যানই ইতিবাচক ক্রিকেট খেলেছেন। বিশেষ করে সরফরাজ। এই মিডল অর্ডার ব্যাটসম্যান ক্যারিয়ারের চতুর্থ ফিফটি পেয়েছেন ৪২ বলে। সেই তুলনায় কোহলি খেলেছেন দেখেশুনে। ফিফটি করেছেন ৭০ বলে। তবে কোহলি সরফরাজের মতো অপরাজিত থেকে দিন শেষ করতে পারেননি। ৭০ রান নিয়ে চতুর্থ দিনে ব্যাটিংয়ে নামবেন সরফরাজ।
এর আগে ৩ উইকেটে ১৮০ রান নিয়ে দিন শুরু করা নিউজিল্যান্ড ২৩৩ রানেই হারায় ৭ উইকেট। তখন রাচিনের রান ছিল মাত্র ৪২। সেখান থেকে সাউদিকে সঙ্গে নিয়ে ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় টেস্ট সেঞ্চুরি করেন রবীন্দ্র।
ভারতের মাটিতে টেস্টে ২০১২ সালের পর কোনো নিউজিল্যান্ডের ব্যাটসম্যানের এটিই প্রথম সেঞ্চুরি। সর্বশেষ সেঞ্চুরি করেছিলেন রস টেলর। অন্য কারণেও রাচিনের জন্য এই সেঞ্চুরি বিশেষ। ভারতীয় বংশোদ্ভূত এই ক্রিকেটারের আদি বাড়ি এই বেঙ্গালুরুতেই। নিউজিল্যান্ডে স্থায়ী হওয়ার আগে বেঙ্গালুরুতে ক্লাব ক্রিকেটও খেলেছেন রবীন্দ্রের বাবা।
সাউদিকে ভুলেও গেলে চলবে না। এই পেসার ৪ ছক্কায় খেলেছেন ৬৫ রানের ইনিংস। সাউদি ও রবীন্দ্র শতরানের জুটি গড়েছেন ৬.২৭ রান রেটে। ভারতের হয়ে ৩টি করে উইকেট নিয়েছেন রবীন্দ্র জাদেজা ও কুলদীপ যাদব।
বেঙ্গালুরু টেস্টের তৃতীয় দিনে রান উঠেছে ৪৫৩। ভারতের মাটিতে এক দিনে যা দ্বিতীয় সর্বোচ্চ।
সংক্ষিপ্ত স্কোর
ভারত: ৪৬ ও ২৩১/৩ (সরফরাজ ৭০*, কোহলি ৭০, রোহিত ৫২; প্যাটেল ২/৭০, ফিলিপস ১/৩৬)
নিউজিল্যান্ড ১ম ইনিংস: ৯১.৩ ওভারে ৪০২ (রবীন্দ্র ১৩৪, কনওয়ে ৯১, সাউদি ৬৫; জাদেজা ৩/৭২, অশ্বিন ১/৯৪, কুলদীপ ৩/৯৯)।
.jpeg)

